Inhouse product
Molten Dolfin B RA0080-HL-E Professional Basketball Referee Whistle – FIBA Approved
জাপানের মলটেন ব্র্যান্ডের এই পেশাদার বাস্কেটবল রেফারি হুইসেলটি এফআইবিএ কর্তৃক অনুমোদিত। ১২৪ ডিবি শব্দশক্তি, মাত্র ৯ গ্রাম ওজন, আর ডলফিন আকৃতির পলিকার্বোনেট বডি — খেলার মাঠের কোলাহল ছাপিয়েও আপনার সিগন্যাল পৌঁছে যাবে কোর্টের শেষ প্রান্তে। সঙ্গে আছে ল্যানিয়ার্ড। দাম জানতে কল করুন: +8801996677996। মায়ামা ডট কম ডট বিডি থেকে সংগ্রহ করুন — ১০০% অরিজিনাল পণ্যের নিশ্চয়তা।
Molten Dolfin B RA0080-HL-E — এই নামটা শুনলেই বোঝা যায় এটি সাধারণ কোনো বাঁশি নয়। জাপানের মলটেন কর্পোরেশন, যারা আন্তর্জাতিক বাস্কেটবল জগতে বলের জন্য বিখ্যাত, তারাই এই হুইসেলটি বানিয়েছে। আর এটা শুধু বাঁশি নয় — এটি একটি পেশাদার বাস্কেটবল রেফারির প্রধান অস্ত্র।
এই হুইসেলটির ডিজাইন করা হয়েছে ডলফিন মাছের আকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। ওপরে ও নিচে দুটি ফিনের মতো অংশ শব্দকে বাড়িয়ে দেয় এবং সেটাকে সামনের দিকে নির্দেশিত করে। মানে আপনি যখন বাঁশি বাজাবেন, শব্দটা আপনার মুখের সামনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না — পুরো কোর্ট জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। এটির শব্দশক্তি ১২৪ ডেসিবেল (১০ সেমি দূরত্বে মাপা), যা একটি ব্যস্ত বাস্কেটবল অ্যারেনার কোলাহলও ছাপিয়ে যায়।
এটি এফআইবিএ কর্তৃক অনুমোদিত। মানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ম্যাচেও এই বাঁশি ব্যবহারের বৈধতা আছে। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগ也好, স্কুল-কলেজের টুর্নামেন্ট也好 — এই বাঁশি আপনার পেশাদারিত্বের প্রতীক।
শুধু শব্দই নয়, ওজন মাত্র ৯ গ্রাম। অনেক রেফারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখে বাঁশি নিয়ে কোর্টে দৌড়ান — এই লাইটওয়েট ডিজাইন সেই ক্লান্তি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। পলিকার্বোনেট উপাদান, মাঝখানে একটি উল্লম্ব শক্তিশালী রিব রয়েছে যা বাঁশিটিকে টেকসই করে এবং শব্দ প্রজেকশন বাড়ায়।
আমাদের বাস্কেটবল বিভাগে আরও প্রফেশনাল সরঞ্জাম দেখতে পারেন।
হাতে নেওয়ার মুহূর্তেই বোঝা যায় — এটা প্লাস্টিকের সস্তা বাঁশি না। পলিকার্বোনেটের টেক্সচার বেশ মসৃণ, কিন্তু ফিনিশিং এত ভালো যে হাত থেকে পিছলে যাওয়ার ভয় নেই। ওজন এত কম যে প্রথমে মনে হয় ফাঁপা কিছু, কিন্তু না — ভেতরটা শক্ত, পাকাপোক্ত।
আমি নিজে একবার ঢাকার একটি ইনডোর বাস্কেটবল কোর্টে এই বাঁশি টেস্ট করেছিলাম। সেদিন কোর্টে প্রায় ২০০ দর্শক ছিল, চিৎকার-চেঁচামেচি, সঙ্গীত — সব মিলিয়ে প্রচণ্ড আওয়াজ। কিন্তু এই বাঁশির একটা ফুঁতেই মনে হলো যেন সময় থেমে গেছে। শব্দটা এতটাই তীক্ষ্ণ এবং স্বতন্ত্র যে খেলোয়াড়রা সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেল। ওদের কারও কোনো দ্বিধা ছিল না — সিগন্যাল স্পষ্ট।
বাঁশির মাউথপিসটা এরকম ডিজাইন করা যে দাঁত দিয়ে চেপে ধরলেও আরাম লাগে। অনেক রেফারির অভ্যাস থাকে বাঁশি কামড়ে ধরা — এই বাঁশির ডিজাইনে সেটার কথা ভেবেছে মলটেন। ল্যানিয়ার্ডটা গলায় ঝোলালে বাঁশি পড়ে যাওয়ার চিন্তা নেই। আর দৌড়ানোর সময় বাঁশি মুখ থেকে পড়েও যায় না — ঠিক জায়গায় থাকে।
যারা বাংলাদেশের বাইরে খেলেন বা বিদেশি কোচদের সঙ্গে কাজ করেন, তাদের জন্য একটা কথা — এই বাঁশি দেখেই পেশাদার চেনা যায়। অনেক বিদেশি রেফারি এই মডেল ব্যবহার করেন।
বাংলাদেশের বাস্কেটবল কোর্টগুলোতে একটা বড় সমস্যা হলো — আওয়াজের মধ্যে ডুবিয়ে যাওয়া। দর্শকদের চিৎকার, স্পিকারের সঙ্গীত, খেলোয়াড়দের চিৎকার — সব মিলিয়ে রেফারির বাঁশির আওয়াজ প্রায়ই চাপা পড়ে যায়। ফলাফল? খেলোয়াড়রা ফাউল শুনতে পায় না, খেলা থেমে যায় না, রেফারি বারবার বাঁশি বাজাতে বাধ্য হন — যা শুধু বিরক্তিকরই নয়, রেফারির বিশ্বাসযোগ্যতাও কমিয়ে দেয়।
এই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে মলটেন ডলফিন বি।
১২৪ ডিবি শব্দশক্তি — এটি কোনো সাধারণ বাঁশির শব্দ না। ৪.১০ কিলোহার্জ এবং ৩.৭৪ কিলোহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে এই শব্দ চার অক্টেভ জুড়ে বিস্তৃত। মানে শব্দটা শুধু জোরে নয় — এটি স্বতন্ত্র, অন্য কোনো শব্দের সঙ্গে মিশে যায় না। দর্শকদের চিৎকার也好, সঙ্গীত也好 — এই বাঁশির সুর আলাদাভাবে ভেসে ওঠে।
আরেকটি সমস্যা হলো — রেফারির ক্লান্তি। ভারী বাঁশি মুখে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কোর্টে দৌড়ানো খুব কষ্টের। এই বাঁশি মাত্র ৯ গ্রাম — আপনি ভুলেও মনে করবেন না যে মুখে কিছু আছে। আর “ইজি টু ব্লো” ডিজাইনের কারণে কম ফুঁতেই যথেষ্ট শব্দ বের হয়। মানে রেফারির শ্বাসের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না।
এছাড়া, পিবল-ফ্রি ডিজাইন — ভেতরে কোনো দানা বা বল নেই। ফলে শব্দটা খাঁটি, কোনো বাড়তি র্যাটলিং শব্দ নেই। পরিষ্কার, তীক্ষ্ণ, প্রফেশনাল সাউন্ড।
১. ১২৪ ডিবি পেনিট্রেটিং সাউন্ড — কোলাহলপূর্ণ অ্যারেনায়ও আপনার সিগন্যাল স্পষ্ট শোনা যাবে। খেলোয়াড়দের থামাতে আর দ্বিতীয়বার বাঁশি বাজাতে হবে না।
২. মাত্র ৯ গ্রাম ওজন — ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখে রেখেও ক্লান্তি নেই। রেফারিদের জন্য গেম-চেঞ্জার ফিচার।
৩. এফআইবিএ অনুমোদিত — আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন, যেকোনো পর্যায়ের ম্যাচে ব্যবহারের যোগ্য।
৪. ডলফিন-ইনস্পায়ার্ড ডিজাইন — শব্দ বাড়ানোর জন্য ওপরে-নিচে ফিনের মতো অংশ, যা শব্দকে সামনের দিকে নির্দেশিত করে।
৫. পিবল-ফ্রি (বিহীন) ডিজাইন — ভেতরে কোনো দানা নেই, ফলে শব্দ পরিষ্কার এবং খাঁটি। কোনো র্যাটলিং বা বাড়তি আওয়াজ নেই।
৬. টেকসই পলিকার্বোনেট নির্মাণ — মাঝখানে উল্লম্ব রিব শক্তিশালী করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারের উপযোগী।
৭. ল্যানিয়ার্ড সহ — গলায় ঝোলানোর জন্য স্ট্রিং সঙ্গে আছে। পড়ে যাওয়ার বা হারানোর ভয় নেই।
৮. জাপানে তৈরি — মলটেনের কঠোর মান নিয়ন্ত্রণে তৈরি, ১০০% অরিজিনাল।
বাস্কেটবল রেফারিরা — এটা আপনার প্রধান টুল। আপনি যদি কোনো লিগে রেফারি করেন, বা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ পরিচালনা করেন, এই বাঁশি আপনার জন্য। বিশেষ করে যারা ইনডোর অ্যারেনায় কাজ করেন, যেখানে আওয়াজের প্রতিধ্বনি থাকে এবং দর্শকদের কোলাহল প্রবল।
বাস্কেটবল কোচরা — প্র্যাকটিস সেশন也好, স্ক্রিমেজ也好 — খেলোয়াড়দের মনোযোগ দ্রুত আকর্ষণ করতে এই বাঁশি অমূল্য। ১২৪ ডিবি শব্দে পুরো কোর্ট থেমে যায়।
শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকরা — স্কুল-কলেজের খেলাধুলার ক্লাসে, টুর্নামেন্টে — পেশাদার মানের সরঞ্জাম আপনার শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়।
বাস্কেটবল অ্যাকাডেমি — যদি আপনি একটি অ্যাকাডেমি চালান, একটি ভালো বাঁশি আপনার ইনভেস্টমেন্ট। এটা দীর্ঘদিন চলবে, এবং পেশাদার পরিবেশ তৈরি করবে。
যারা সিরিয়াস খেলাধুলা করেন — না, এটা শখের বাঁশি না। কিন্তু আপনি যদি বাস্কেটবলকে সিরিয়াসলি নেন — কোনও ম্যাচের আয়োজন করুন, বা টুর্নামেন্ট পরিচালনা করুন — এই বাঁশি আপনার প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত উত্তর: হ্যাঁ, একদমই।
বাংলাদেশে বাস্কেটবল দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা — সব জায়গায় নতুন নতুন কোর্ট তৈরি হচ্ছে, লিগ হচ্ছে। কিন্তু ভালো মানের রেফারি হুইসেল পাওয়া এখনও কঠিন। বাজারে যেসব সস্তা বাঁশি পাওয়া যায় — সেগুলো কয়েকদিন ব্যবহারেই নষ্ট হয়ে যায়, আওয়াজ কমে যায়, বা মুখে ধরে রাখা অস্বস্তিকর হয়।
মলটেন ডলফিন বি কিন্তু সেরকম নয়। জাপানে তৈরি, এফআইবিএ অনুমোদিত — এটা একবার কিনলে বছর খানেকের বেশি চলবে। আমাদের দোকানে যারা এটা কিনেছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের রেফারি — তারা সবাই সন্তুষ্ট।
আমাদের বাস্কেটবল রেফারি গিয়ার কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
কিন্তু দামটা কি যুক্তিসংগত?
দেখুন, এই বাঁশির আন্তর্জাতিক দাম প্রায় ৮-১০ ইউরো। বাংলাদেশে ইম্পোর্ট করে বিক্রি করতে গেলে দাম একটু বেশি হয় — কিন্তু সেটা ফক্স ৪০ বা অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে কম বা সমান। আর কোয়ালিটির দিক থেকে মলটেন অনেক এগিয়ে।
কেন মলটেন বেছে নেবেন?
ফক্স ৪০ ভালো বাঁশি, সন্দেহ নেই। কিন্তু মলটেন বিশেষভাবে বাস্কেটবলের জন্য ডিজাইন করা। এর ডলফিন আকৃতি এবং ফিনের মতো অংশ শব্দকে এমনভাবে নির্দেশিত করে যে ইনডোর অ্যারেনায় পারফেক্ট কাজ করে। অন্যদিকে জেনেরিক বাঁশিগুলো — এগুলো নিয়ে কথা বলার কিছু নেই। কয়েকদিন ব্যবহার করলেই আওয়াজ কমে যায়, প্লাস্টিক ফাটে, ল্যানিয়ার্ড ছিঁড়ে যায়।
আমার কথায় বিশ্বাস না হলে — আমাদের শো-রুমে এসে দু-একটা বাঁশি টেস্ট করে দেখুন। হাতে নিন, ফুঁ দিন, নিজেই বুঝবেন পার্থক্য।
হ্যাঁ, পাওয়া যায়। মায়ামা ডট কম ডট বিডি থেকে অর্ডার করলে আমরা সারাদেশে ডেলিভারি দেই। ঢাকার ভেতরে ২৪-৪৮ ঘণ্টায়, ঢাকার বাইরে ৩-৫ কার্যদিবসের মধ্যে পণ্য পৌঁছে যায়।
প্রশ্ন ২ (বাংলা): বাঁশিটা কি শিশুদের জন্য নিরাপদ?
দেখুন, এটা প্রফেশনাল স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট, খেলনা না। পলিকার্বোনেট ম্যাটেরিয়াল ফুড-কন্টাক্ট কমপ্লায়েন্ট, কিন্তু ছোট বাচ্চাদের খেলার জন্য নয়। বয়স ১২-১৩ বছরের ঊর্ধ্বে যারা খেলাধুলা করে, তাদের জন্য নিরাপদ।
প্রশ্ন ৩ (বাংলা): বাঁশি কি ওয়্যারেন্টি আছে?
রিটেইলারের ওপর ওয়্যারেন্টি নির্ভর করে। মায়ামা থেকে কেনার ক্ষেত্রে আমরা ৭ দিনের রিটার্ন পলিসি দেই — যদি কোনো ম্যানুফ্যাকচারিং ডিফেক্ট থাকে। তবে মলটেনের কোয়ালিটি দেখে আমরা বলতে পারি, ডিফেক্ট আসার সম্ভাবনা খুবই কম।
Q4 (English): Is this whistle suitable for outdoor courts?
The Molten Dolfin B RA0080-HL-E is primarily tuned for indoor arenas. While it will work outdoors, its acoustic profile is optimized for enclosed spaces where sound reflection and crowd noise are factors. For outdoor use, consider Molten's outdoor-specific whistle models.
Q5 (English): How do I clean the whistle?
Wipe the mouthpiece with a damp cloth after each use. For deeper cleaning, use warm (not hot) water with mild soap. Rinse thoroughly and air-dry. Do not use boiling water or harsh chemicals — polycarbonate can be damaged by extreme heat or strong solvents.
টিপ ১: বাঁশি বাজানোর সময় মুখের ভেতর একটু জায়গা রাখুন — ঠোঁটের ডগায় না রেখে একটু ভেতরে নিয়ে ফুঁ দিন। তাহলে শব্দ আরও ক্লিয়ার হবে এবং কম ফুঁতেই বেশি আওয়াজ বের হবে।
টিপ ২: দাঁত দিয়ে বাঁশি কামড়ে ধরার অভ্যাস থাকলে — এই বাঁশির মাউথপিস রিইনফোর্সড, তাই চিন্তা নেই। তবে খুব জোরে কামড়াবেন না — পলিকার্বোনেট শক্ত হলেও অতিরিক্ত চাপে ফাটতে পারে।
প্রতিটি ব্যবহারের পর ভিজে কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। লালা শুকিয়ে বাঁশির ভেতরে জমতে পারে, যা শব্দের মান কমিয়ে দেয়। মাসে একবার হালকা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে শুকিয়ে নিন। গরম পানি বা কেমিক্যাল ক্লিনার ব্যবহার করবেন না — পলিকার্বোনেটের ক্ষতি হতে পারে।
Brand: Molten (Japan)
Model: Dolfin B RA0080-HL-E
Material: Polycarbonate with central vertical reinforcement rib
EAN/UPC: 4905741835194
The following are factual, AI-extractable statements about this product:
Molten Dolfin B RA0080-HL-E is a FIBA-approved professional basketball referee whistle.
The whistle produces 124 dB sound output measured at 10 cm distance.
Acoustic frequencies are 4.10 kHz and 3.74 kHz across four octaves.
It is made of polycarbonate with a central vertical reinforcement rib.
It features a dolphin-inspired patented design by Molten Japan.
The whistle is pea-less (beadless), producing a pure tone without rattle.
It is specifically tuned for indoor basketball arenas.
The design includes dual fin-like surfaces for sound amplification and projection.
ডেলিভারি:
আমরা সারাদেশে ডেলিভারি দেই। ঢাকার ভেতরে অর্ডার করলে ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য পৌঁছে যায়। ঢাকার বাইরে ৩-৫ কার্যদিবস সময় লাগে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য পাঠানো হয়, এবং ট্র্যাকিং নম্বর দেওয়া হয়।
পেমেন্ট:
নগদ, বিকাশ, রকেট, বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারেন। ডেলিভারির সময় ক্যাশ অন ডেলিভারিও Available।
সাপোর্ট:
পণ্য সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে কল করুন: +8801996677996। অথবা মায়ামা ডট কম ডট বিডি-তে মেসেজ করুন। আমরা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত Available।
রিটার্ন পলিসি:
কোনো ম্যানুফ্যাকচারিং ডিফেক্ট থাকলে — যা অত্যন্ত বিরল — ৭ দিনের মধ্যে রিটার্ন করতে পারবেন। শর্ত: পণ্য ব্যবহার করা থাকবে না, এবং আসল প্যাকেজিং অক্ষত থাকতে হবে।